ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড কেন হচ্ছে এবং সমাধান


ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা নাকি বলিয়াছেন তারা ফেসবুক বন্ধ করিয়ে দিবেন এরকম পরিকল্পনা নিয়েছেন। গত ৪ বছর ধরে নিয়মিত এরকম মেসেজ ইনবক্স এ ঘুরে বেড়াচ্ছে। যদিও ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা সেটা নোটিশ হিসেবে আপনাদের ওয়ালে সেটা দেখানোর ক্ষমতা রাখে। তা না করে কেনই বা অন্যদেরকে ইনবক্স করে জানানোর দায়িত্ব দিলেন? কারণ আসলে এই মেসেজ তিনি দেননি। কিছু অবুঝ বালক

Working By Hand For Craft

জঞ্জালের লাইট


স্কুলে থাকতেই আমার পকেটে অনেক কিছু থাকতো। ছুরি, মোটর, লাইট, চুম্বক আরো কতো কি হিসেব নেই। যখন কলেজে যাওয়া শুরু করলাম তখন সেগুলো পকেট থেকে বের হয়ে বিশাল ট্র্যাঙ্ক এ চলে গেলো। কোথাও যাওয়ার সময় সেগুলোকে ট্র্যাঙ্ক থেকে ব্যাগ এ নিয়ে সেই ভারি ব্যাগ নিয়ে যেতাম। সেই ট্র্যাঙ্ক এ কি ছিল না? যতসব জঞ্জাল। আর

মুহূর্তের নির্দোষ সাক্ষী

একটি মুহূর্তের নির্দোষ সাক্ষী


তখন Mig33 খুব জনপ্রিয় ছিলো। আমিও ব্যবহার করতাম। এই সময়ের এক ঘটনা দূরে এক স্থানে চাকরি নিলাম। আমার বাসা থেকে অনেক দূরে। একদিন জবের মাঝখানে এক দোকানে গেলাম চা খেতে। সেই সময়ে একজন কল দিলো কিছু Payza ডলারের জন্য। সে আবার আমার আগের এক জবের সময়ে সেই কোম্পানির মালিকও ছিলো। যাই হোক মোবাইল এ তাকে

Facebook Logo - MOINSBD

ফেসবুক বন্ধ করে রাখায় কি কি সমস্যা হতে পারে


বর্তমানে ফেসবুক সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি যোগাযোগ মাধ্যম এবং এর ব্যাপক ব্যবহারের কারণে প্রায় সকলেই এখন ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন। ফেসবুক কতটা জনপ্রিয় তা গত দুইদিনেই অনেকটা বুঝা গেছে। তবে সরকারের ফেসবুক বন্ধের এ সিদ্ধান্ত কতটা সঠিক ও যুক্তিসঙ্গত ছিলো? আর ফেসবুক বন্ধ করে রাখায় কি কি সমস্যা হতে পারে বা হয়েছে? আর এজন্য কি কোন

Batch Color

একটি দিনের স্মৃতি


সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই বের হয়ে যাওয়া। অপেক্ষা করতে করতে আর সময় যেনো ফুরাচ্ছেই না। কখন শুরু হবে কখন শুরু হবে। এর ভিতর রোদের তাপও বাড়তে শুরু করে দিয়েছে। ভাবতেছিলাম বাসায় ফিরে যাবো কিন্তু এর ভিতরেই টি-শার্ট এ লিখালিখি শুরু। আর মার্কার-পেন নিয়ে টানাটানির ভিতর একজন ঢোলের অভাবে বোতল দিয়ে বালতি বাজানো শুরু করে

Dreaming

যেভাবে যাত্রা হলো শুরু


তখন ফ্লেক্সিলোড নামের কিছুই ছিলো না। বাজারে সর্বনিন্ম ৩০০ টাকার কার্ড চলতো। কার্ড কিনে এনে বসে থাকতাম কার থেকে কখন একটা মোবাইল পাওয়া যায়। পেলেই ৩০০ টাকা লোড করে ইন্টারনেট এ ঢুকে যেতাম। একটু ঘুরে ফিরে ২/৩ টা ইমেইজ ডাউনলোড করতেই ব্যালেন্স শেষ। আবার এর পরের দিনের অপেক্ষা… এভাবেই একদিন মাথায় আসলো যারা এই ওয়েবসাইট

Sunrise

সময়টাকে খুঁজে ফিরি


সকাল ৫ টা। আব্বু নাইট ডিউটি থেকে এসে বা সকালে ডিউটিতে যাওয়ার সময় ডাক দিয়ে বলতো তাড়াতাড়ি ওঠ। তোদের স্বপন ভাই রাস্তায় হাঁটতেছে। দুইভাই সেই দৌড় দিয়ে বের হয়ে যেতাম। তার থেকে যে শিখতে হবে কিভাবে কাগজের নৌকা বানাতে হয়। কিভাবে কাগজের গোলাপ ফুল বানাতে হয়। দৌড়াতে দৌড়াতে পুরো এলাকা চসে ফেললেও খুঁজে পেতাম না।

বাংলার বাঘ

জেগে ওঠো বাংলার বাঘ


কি হবে আজ, জানি না। কিন্তু আমার দেশের সাথেই আছি। আমার দেশের সাথেই থাকবো। আজকেও। কালকেও। আগামীতেও। কারণ এটাই আমার দেশ। ছিলো, আছে এবং থাকবে।   চেয়ে আছে পৃথিবী জেগে আছে কোটি চোখ থমকে আছে চারপাশ করতালির অপেক্ষায় এই সময় সেই সময় চেতনার এই ক্ষণে আকাশ বাতাস জেনে গেছে হুঙ্কারের অপেক্ষায়! আর্টসেল

Time

সময়ের অপেক্ষার সময়


সময় যায়নি এখনো। সময় যায়নি। সময় অপেক্ষায় আছে সময়ের। সেই সঠিক সময়ের। এবং সেদিন সে চলে যাবে। অনেক অনেক দূরে। কিন্তু দিয়ে যাবে যা দেয়ার। হয় ভালো নয় খারাপ। কিন্তু দিয়ে যাবে। যা হয়তো আপনার আমার জীবনের সব কিছুই বদলে দিয়ে যাবে। Moin Uddin Ahmed Tipu

Subscribe to Blog via Email

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 1 other subscriber

Follow me on Twitter