Sort by:
View:
http://blog.moinsbd.com/wp-content/uploads/Working-By-Hand-For-Craft-960x604_c.jpg

জঞ্জালের লাইট


স্কুলে থাকতেই আমার পকেটে অনেক কিছু থাকতো। ছুরি, মোটর, লাইট, চুম্বক আরো কতো কি হিসেব নেই। যখন কলেজে যাওয়া শুরু করলাম তখন সেগুলো পকেট থেকে বের হয়ে বিশাল ট্র্যাঙ্ক এ চলে গেলো। কোথাও যাওয়ার সময় সেগুলোকে ট্র্যাঙ্ক থেকে ব্যাগ এ নিয়ে সেই ভারি ব্যাগ নিয়ে যেতাম। সেই ট্র্যাঙ্ক এ কি ছিল না? যতসব জঞ্জাল। আর সব সময়ে এগুলো নিয়েই পড়ে থাকতাম। চেষ্টা করতাম এইটা সেইটা বানাতে। আর নাড়াচাড়া করতাম।

কলেজের লাইফে আমি এমন এক এলাকায় ছিলাম যেখানে বিদ্যুৎ থাকতো না বললেই চলে। আমার জন্য বিদ্যুৎহীন এক মুহূর্ত থাকা অনেক কষ্টকর। সবার প্রথম যেই সমস্যাটা ফেস করলাম তা হলো অন্ধকার। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম একটা টেবিল লাইট বানাবো। যাতে আলো পাই। তাই ট্র্যাঙ্ক খুলে সব কিছু বের করা শুরু করলাম। বাতিল করে দেয়া মোবাইলের ব্যাটারি, তার, নষ্ট টর্চ লাইটের বাল্ব থেকে শুরু করে সব কিছুই বাতিল করে দেয়া অর্থাৎ ফেলে দেয়ার মতো যন্ত্রপাতি।  এমনকি স্ট্যান্ড তৈরি করতেও ব্যবহার করলাম সাইকেলের চাকার বাতিল শিক। শুধু যে লাইট বানালাম তা না। একই সাথে চার্জার ও তৈরি করতে হলো। এজন্য ব্যবহার করলাম ভাঙ্গা টিফিন বক্স এর কভার আর এর ভিতর টেপ ও কাগজ ব্যবহার করে সেট করা সার্কিটসমূহ। ট্রান্সফরমারটাও বাতিল ছিলো। ইয়া বড় আকারের ট্রান্সফরমার।

যেহেতু এর প্রতিটা পার্টস ছিলো বাতিল করে দেয়া তাই এর একটি নাম দেয়ার জন্য নাম খুজতেছিলাম। অনেক ভাবার পর তিন গোয়েন্দা গল্পের জাঙ্ক ইয়ার্ড থেকে নাম নিয়ে জাঙ্ক ল্যাম্প রেখেছিলাম। এই ল্যাম্পটি অনেকদিন সাথেই ছিলো। দীর্ঘদিন আমাকে সহায়তা করে গেছে। সার্ভিসেও কোন সমস্যা করেনি।

 

জানিনা ল্যাম্পটি এখন কোথায় আছে। আমার রুমমেট ক্লাসের ল্যাব পরীক্ষায় জমা দিয়েছিলো। স্যার এর কাছে ল্যাম্পটি খুব ভালো লাগায় সে নিয়ে গিয়েছিলো। যদিও অন্যান্য সবার সব কিছুই ফেরত দিয়েছে শুধু এটাই নিয়ে গেছে 🙁

যদিও এখন পর্যন্ত সেই চার্জারটি আমার কাছেই থেকে গেছে। মাঝেমধ্যে দেখি আর সেই স্মৃতি মনে করি। কিছু তৈরি করার মাঝেও আনন্দ আছে 🙂 আর তা যদি হয় নষ্ট কিছু থেকে তাহলেতো কথাই নেই 🙂 🙂

http://blog.moinsbd.com/wp-content/uploads/মুহূর্তের-নির্দোষ-সাক্ষী-960x500_c.jpg

একটি মুহূর্তের নির্দোষ সাক্ষী


তখন Mig33 খুব জনপ্রিয় ছিলো। আমিও ব্যবহার করতাম। এই সময়ের এক ঘটনা দূরে এক স্থানে চাকরি নিলাম। আমার বাসা থেকে অনেক দূরে। একদিন জবের মাঝখানে এক দোকানে গেলাম চা খেতে। সেই সময়ে একজন কল দিলো কিছু Payza ডলারের জন্য। সে আবার আমার আগের এক জবের সময়ে সেই কোম্পানির মালিকও ছিলো। যাই হোক মোবাইল এ তাকে বললাম এখন নেই কিন্তু মানিবুকারস আছে। হ্যাঁ তখন নাম এটাই ছিলো, স্ক্রিল না। যাইহোক দোকানে বসা এক ছেলে তা নোটিশ করে। আমি যখনি বের হতে যাই সে ডাক দিয়ে ডলারের ব্যাপারে কথা বলে। সে জানতো না ডলার কিনতে পাওয়া যায় এবং তার দরকার মিগের জন্য ক্রেডিট কিনতে। কারণ মিগ মানিবুকারসকে সাপোর্ট করতো। সে ডলার পেলে ক্রেডিট কিনতে পারবে। তাই আমার নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা নিয়ে যায়।

এর অনেকদিন পর, ততদিনে সেই জব ও ছেড়ে দিয়েছি। একদিন মিগে এক রুমে আড্ডা দিচ্ছিলাম। সেখানে সবাই অপরিচিত। আর এর একজন ছিলো যে আমার ব্যাপারে জানতে খুবই আগ্রহী। কিন্তু কোন তথ্য নেই। সেই রুমে সেই ব্যাক্তি হটাত বলে বসলো ভাই আমাকে চিনছেন। আমি বললাম নাতো। সে বললো ঐ যে এক দোকানে চা খেতে খেতে পরিচয় হয়েছিলো।
কি দরকার ছিলো তার সাথে এরকম স্থানেই আবার দেখা হওয়ার? যদি না হতো আমি হয়তোবা এখন যেমন আছি তেমন থাকতাম না। অনেক বেশী চেঞ্জ হয়ে গেছি। অনেক বেশী এলোমেলো হয়ে আছি।  আর সেই এলোমেলোর পিছনে একজনই আছে। না সেই ছেলেটি নয়। সে জাস্ট একটি মুহূর্তের নির্দোষ সাক্ষী। যদিও সেই মুহূর্ত আমাকে আজো কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে। গোপনে অগোচরে।

http://blog.moinsbd.com/wp-content/uploads/Facebook-Logo-MOINSBD-960x363_c.png

ফেসবুক বন্ধ করে রাখায় কি কি সমস্যা হতে পারে


বর্তমানে ফেসবুক সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি যোগাযোগ মাধ্যম এবং এর ব্যাপক ব্যবহারের কারণে প্রায় সকলেই এখন ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন। ফেসবুক কতটা জনপ্রিয় তা গত দুইদিনেই অনেকটা বুঝা গেছে। তবে সরকারের ফেসবুক বন্ধের এ সিদ্ধান্ত কতটা সঠিক ও যুক্তিসঙ্গত ছিলো? আর ফেসবুক বন্ধ করে রাখায় কি কি সমস্যা হতে পারে বা হয়েছে? আর এজন্য কি কোন বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিলো? তা মনে হয়না সরকার ভেবেছে।

 

  • বর্তমানে অনেকেই ফেসবুক পেইজকে ঘিরে অনলাইন শপিং চালু করে সেখানে বেচাকেনা করে জীবিকানির্বাহ করছে। এক্ষেত্রে তাদের সবই নির্ভর করে ফেসবুককে কেন্দ্র করে এবং এর জন্য অবশ্যই ক্রেতাকে ফেসবুকেই থাকতে হচ্ছে। যখন ফেসবুকেই ক্রেতা নেই তখন তাদের বেচাকেনাও বন্ধ। আর যেহেতু সরকার হটাতই ফেসবুক বন্ধ করেছে এক্ষেত্রে তাদের বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণের জন্যও সময় ছিলোনা। তবে সরকার সবসময়েই সকলকে সামনে থেকে এধরণের অনলাইন কেনাবেচায় আগ্রহী করে তুলতে ভূমিকা রেখেছে এবং রাখবে।

 

  • বেশীরভাগ ওয়েবসাইটেই ফেসবুক লাইক বক্স নামের একটি উইজেট থাকে যা ফেসবুকের পেইজ বা প্রোফাইল থেকে বিভিন্ন তথ্য দেখিয়ে থাকে। এমনকি বর্তমানে সরকারি অনেক ওয়েবসাইটে এই অপশন রাখা আছে। তবে ফেসবুক এর ওয়েবসাইট বন্ধ করে রাখায় যেসকল ওয়েবসাইট এ ফেসবুক লাইক বক্স রয়েছে সেসকল ওয়েবসাইট এ ঢুকতে না পারার সম্ভাবনা কতটুকু? আর ঢুকতে যাতে সমস্যা না হয় সেজন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থা কি রাখা হয়েছে?

 

  • অনেকের আত্মীয়স্বজন দেশের বাইরে থাকে এবং তাদের যোগাযোগের জন্য একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুক বন্ধ করায় তারা যাতে বিকল্প ব্যবস্থা চালু করতে পারে সেজন্য কি কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বা তাদের বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সময়টুকু দেয়া হয়েছে? অবশ্যই প্রশ্ন আসতে পারে যে পরেওতো বিকল্প ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব তবে তা কতজনের পক্ষে সম্ভব সেটাও মুখ্য বিষয়। আর কেউ বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও সেটা কিভাবে জানাবে তাও ভাবার বিষয়। কেননা দেশের অনেক মানুষ এখনো ফেসবুক ব্যবহার করা শিখছে অন্য কারো সহায়তায়। এবং শুধু প্রয়োজনের কারণেই।

 

  • কিভাবে ফাঁকি দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় এবং সেই সাথে অন্যায় কিভাবে করা যায় তা বর্তমানে অনেকেই শিখে যাচ্ছে শুধু বাধ্য হয়ে। কেননা তাদের এখন একটি মৌলিক চাহিদাই একটি অন্যায় শিখে নেয়ার সাথে জড়িয়ে গেছে। এখন এই অন্যায় কাজটি শিখতে কে বাধ্য করছে? আর এখন শিখে নেয়া অন্যায় কাজটি যে তারা পরেও অন্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করবে না তার নিশ্চয়তা কি?
http://blog.moinsbd.com/wp-content/uploads/Batch-Color-960x640_c.jpg

একটি দিনের স্মৃতি


সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই বের হয়ে যাওয়া। অপেক্ষা করতে করতে আর সময় যেনো ফুরাচ্ছেই না। কখন শুরু হবে কখন শুরু হবে। এর ভিতর রোদের তাপও বাড়তে শুরু করে দিয়েছে। ভাবতেছিলাম বাসায় ফিরে যাবো কিন্তু এর ভিতরেই টি-শার্ট এ লিখালিখি শুরু। আর মার্কার-পেন নিয়ে টানাটানির ভিতর একজন ঢোলের অভাবে বোতল দিয়ে বালতি বাজানো শুরু করে দিলো। যদিও র‍্যালি শুরু হবার আগেই সেই বালতি ভেঙ্গে চুরমার। সেই সাথে মাননীয় ইমরান এর মনও ভেঙ্গে চুরমার। আর সেলফি পার্টি ব্যস্ত তাদের সেলফি তোলা নিয়ে।

র‍্যালি হচ্ছে। অনেকের হাতেই বোতল দেখতে পাচ্ছি কিন্তু আমার হাতে কোন বোতল নেই। তাই বাসার কাছাকাছি পৌছাতেই দৌড় দিয়ে বাসায় গিয়ে একটা বোতল নিয়ে আসলাম। জানি সামনে হয়তো লাগবে। যদিও চিন্তায় ছিলাম যে আমি শেষ পর্যন্ত বোতলটা ব্যবহার করবো কিনা।

http://blog.moinsbd.com/wp-content/uploads/ALONE-960x960_c.jpg

খুঁজতে থাকা ঘুম


দেখতে দেখতে কিভাবে জানি ২ বছর পার হয়ে গেলো। কিন্তু এখনো সবই যেন সেই আগের মতো স্বাভাবিক হতে পারছে না। সব চেষ্টাই একে একে বৃথা। আর সবার প্রথমেই যে আমার ঘুম।

ঘুম আনার অনেক অনেক ব্যবস্থাইতো আছে। আর সবই চেষ্টাই করে বেড়াই। একবারতো এই ঘুম আনার চেষ্টা করতে গিয়ে হাসপাতাল থেকেও ঘুরে আসতে হলো। এরপর কয়েকদিন যদিও ঠিক ছিলাম কিন্তু আবার সেই আগের মতোই। যদিও সবাই দেখে আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুমিয়ে আছি কিন্তু কেউতো আর জানেনা আমি ঘুমে নই, সজাগ থেকেই ঘুমে আছি। শুধুই ছটফট করে যাচ্ছি।

আজো ঘুমাইনি। অনেকক্ষণ ছটফট করে শেষে উঠে পরে কম্পিউটার এর সামনে বসে আছি। মনে হয় আগামীকালও ঘুমাবো না। হয়তো এতে আবার হাসপাতালে পৌঁছে যাবো কিন্তু ছটফট করার থেকে সেটাই মনে হয় অনেকগুণ বেশী ভালো।

http://blog.moinsbd.com/wp-content/uploads/Dreaming-960x670_c.jpg

যেভাবে যাত্রা হলো শুরু


তখন ফ্লেক্সিলোড নামের কিছুই ছিলো না। বাজারে সর্বনিন্ম ৩০০ টাকার কার্ড চলতো। কার্ড কিনে এনে বসে থাকতাম কার থেকে কখন একটা মোবাইল পাওয়া যায়। পেলেই ৩০০ টাকা লোড করে ইন্টারনেট এ ঢুকে যেতাম। একটু ঘুরে ফিরে ২/৩ টা ইমেইজ ডাউনলোড করতেই ব্যালেন্স শেষ। আবার এর পরের দিনের অপেক্ষা…

এভাবেই একদিন মাথায় আসলো যারা এই ওয়েবসাইট ইন্টারনেট ইত্যাদি নিয়ে কাজ করছে তাদের লাভ কোথায়? আমার ৩০০ টাকার কার্ড থেকেই কি তারা তা পাচ্ছে? শুরু হলো নতুন করে তথ্য খোঁজা। একটু একটু করে শিখে ফেললাম গুগল নামের সার্চ ইঞ্জিনকে ব্যবহার করা। জানলাম না তারা আমার কার্ড এর থেকে পয়সাও পায় না। তাহলে তাদের লাভ কোথায়?

সেই খুঁজতে খুঁজতে পেতে থাকলাম একে একে রহস্যের সমাধান সমূহ… একসময় আমার ও ইচ্ছে হলো আমিও এরকম ওয়েবসাইট বানাবো। আমিও ইন্টারনেট থেকে আয় করবো। কিন্তু আমার কম্পিউটার মোবাইল কিছুই নেই। তাও ধিরে ধিরে শিখতে থাকলাম কিভাবে কি হয় কি করে কি চলে ইত্যাদি।

একদিন বাসায় কম্পিউটার আসলো। প্রথম একমাস গেলো কম্পিউটারে কিভাবে কি করে তা শিখতে। এরপর অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করে একই সময় বানালাম একটি ওয়েবসাইট Weebly তে। কিন্তু কি রাখবো এখানে? খুঁজতে খুঁজতে মনে হলো কম্পিউটার টিপস রাখবো। শুরু হলো টিপস লিখা। এই লিখতে লিখতে দুদিনে ৫০ বারেরও বেশী বার কম্পিউটার এর অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে একটি গাইডও লিখলাম বাংলায় কিভাবে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করতে হয় তা নিয়ে যা প্রথম-আলোতে ফিচার করা হয়। আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিলো 😀 । এখন দরকার এই ওয়েবসাইট আরো প্রমোট করার একটা ব্যবস্থা। খুললাম ফেসবুক গ্রুপ (COMPUTER TIPS & TROUBLESHOOTING). এই গ্রুপটি আমার এগিয়ে যাওয়ার পিছনে অনেক সহায়তা করেছে। যদিও অন্যভাবে। মানুষকে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দিতে গিয়ে নিজেই শিখতে থাকলাম। যতো উত্তর দেই ততোই শিখি। এভাবেই চলতে চলতে একটা পোস্ট এর কারণে অনেক রেসপন্স পেয়ে আরেকটি গ্রুপ এর যাত্রা শুরু। (FREELANCE HELPLINE). আমার চাপ বেড়ে দিগুণ। এভাবেই অনেক চাপ, যুদ্ধ করতে করতেই এগিয়ে যাওয়া।

আমার প্রথম দুইটি কম্পিউটার কোন মতেই ৩ মাসের বেশী টিকে নাই। এতোই অত্যাচার করেছিলাম। দুইটি কম্পিউটার নষ্ট হওয়ার পর দীর্ঘদিন শুধু মোবাইল থেকেই ফ্রীল্যান্সিং এর কাজ করি।

 

এই দীর্ঘ পথে অনেক ধাক্কা পেতে পেতে এগিয়ে আসা। অনেক মানুষ এই পথে সহায়তা করলেও বাঁধার পরিমাণ ছিলো অনেক বেশী।

ধন্যবাদ দিতে চাই সেসকল মানুষদের যারা সবসময় পাশেই ছিলো, আছে থাকবে। যাদের জন্য আজ এই আমি। যাদের সাহস আমাকে এগিয়ে নিয়ে এসেছে এই পর্যায়ে। সবসময়েই আপনারা আমাকেও পাশেই পাবেন 🙂

লেগে ছিলাম। আছি। থাকবো। দেখতে থাকা স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করবো 🙂

(সংক্ষেপিত)

http://blog.moinsbd.com/wp-content/uploads/Sunrise-960x797_c.jpg

সময়টাকে খুঁজে ফিরি


সকাল ৫ টা। আব্বু নাইট ডিউটি থেকে এসে বা সকালে ডিউটিতে যাওয়ার সময় ডাক দিয়ে বলতো তাড়াতাড়ি ওঠ। তোদের স্বপন ভাই রাস্তায় হাঁটতেছে। দুইভাই সেই দৌড় দিয়ে বের হয়ে যেতাম। তার থেকে যে শিখতে হবে কিভাবে কাগজের নৌকা বানাতে হয়। কিভাবে কাগজের গোলাপ ফুল বানাতে হয়।

দৌড়াতে দৌড়াতে পুরো এলাকা চসে ফেললেও খুঁজে পেতাম না। কারণ সেতো আর বের হয়নি। তাও প্রতিদিনই চলতো। ফলে দুই ভাইয়ের অভ্যাস হয়ে যেত সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পরার। সবার আগে।

রাত ১০ টা ১৮ বাজে। সংবাদটা শেষ হয় না কেন? কি বলে সংবাদে তাও বুঝি না। কি আজব ভাষা। বাংলা হলে বুঝতাম। কিন্তু বাংলা না। তাও বসে আছি টিভি’র দিকে। সংবাদ শেষ হবে। অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়েই আছি। এই শেষ হলো বুঝি। শেষ হতেই শুরু হবে… … …

সিন্দাবাদের জাদুকরি তরোয়াল, এডভেঞ্চার অফ সিনবাদ, এক্স-ফাইলস, ম্যাকগাইভার এর ভুত কতো কিনা ছিলো। আহ আমার যদি একটা জাদুকরি তরোয়াল থাকতো? অথবা ম্যাকগাইভারের মতো আমিও যদি হতে পারতাম?

কে ছিলো না? ডুভার, রঙ্গার, ফিরওউজ, মায়েভ। সবই হারিয়ে গেছে। কেউ জানবে না কি ছিলো সেকালের দিনগুলোতে। কেউ অনুভব করবে না ঘুম ঘুম চোখে ভুত দেখার অনুভূতি।  আর কেউ শিখবে না অ্যাডভেঞ্চার কাকে বলে।

আবার যদি সেই দিনগুলো ফিরে পেতাম 🙁

http://blog.moinsbd.com/wp-content/uploads/Wireless-Router-for-Internet-960x542_c.png

ফ্রী ইন্টারনেটঃ কতটুকু কার্যকর?


বর্তমানে বিভিন্ন অপারেটর এবং ইন্টারনেট ডট অরগ এর ফ্রী ইন্টারনেট নিয়ে ভালোই আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এই ফ্রী ইন্টারনেট কতটুকু কাজের? এবং এর সুফল কি? এতে কি লাভ হতে পারে?

অনেকেই আছেন এই ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইনে কাজ শিখতে বা কাজ করতে আসেন। তা কি সম্ভব? আবার যারা ইন্টারনেট এর প্যাকেজ কিনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তারা এই ফ্রী ইন্টারনেট এর কারণে কতটুকু ভোগান্তিতে পড়েন?

অনেকেই হয়তোবা খেয়াল করেছেন আরো আগে থেকে চালু থাকা জিরো ডট ফেসবুক ডট কম এর কারণে কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা নোটিফিকেশন দেখতে গেলে তাদেরকে একটি এরোর পেইজ নিয়ে নিয়ে যেতো। এবং সেখান থেকে ফেসবুক এ ফিরে আসতে আবার বেশী পরিমাণ ব্যান্ডউইথ খরচ করতে হতো। এতে কি পরিমান ভোগান্তি হচ্ছে?

অনেক সময় আমাকে অনেকেই মেসেজ করে লিংক দিয়ে বলেন তাদের পাঠানো লিংক এ কি আছে তা যেন একটু কপি করে তাকে মেসেজ এ দিয়ে দেই। কারণ সে ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। তাই অন্য ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারছে না। আবার অনেক সময় অনেকেই ফ্রীল্যান্সিং এর উপর বিভিন্ন প্রশ্ন করলে তাদেরকে মাঝেমধ্যে লিংক দিতে হতো এবং তাও তারা দেখতে সক্ষম না। এটা শুধু যে আমার ক্ষেত্রেই হয় তা কিন্তু না।

আমি মনে করিনা ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করে আসলেই কিছু করা সম্ভব। কেনোনা যেসকল কাজের জন্য ফ্রী ইন্টারনেট এর সুযোগ দেয়া হচ্ছে তা কোন ক্ষেত্রেই কাজে আসবে না। যেমন ফেসবুক। ফেসবুক যে কতটুকু অপচয়কারী তা সবাই জানে। অনেকটা মাদক এর মতো। আর উইকিপেডিয়াতে ইংলিশ তথ্য বেশী। আর এ দেশের বেশীরভাগ মানুষ ইংলিশ কে শুধু ভয় পায় তা না, বরং এড়িয়েই চলে। যতই তথ্যবহুল হোক না কেন, সংক্ষেপে থাকা বাংলাই খুঁজতে থাকে। তাই এক্ষেত্রে এটাও তেমন কাজে আসবে না।

তাই অবাকই লাগে এর পিছে পাগলের মতো ছুটে চলা মানুষগুলোকে দেখে। জানিনা তারা এখানে কি লাভ দেখতে পায়। তবে একটা কোম্পানির কিন্তু ঠিকই লাভ আছে। কেনোনা তাদের আয় নির্ভরই করে অনেক অনেক ভিজিটর থেকে। তারা ঠিকই তা বাগিয়ে নিচ্ছে। যেহেতু বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য অনেক অনেক মানুষ তারা পেয়ে যাচ্ছে। হ্যাঁ, ফেসবুকের কথাই বলছি। তাদের খরচের তুলনায় লাভ ভালোই থাকছে।

http://blog.moinsbd.com/wp-content/uploads/বাংলার-বাঘ-960x642_c.jpg

জেগে ওঠো বাংলার বাঘ


কি হবে আজ, জানি না। কিন্তু আমার দেশের সাথেই আছি। আমার দেশের সাথেই থাকবো। আজকেও। কালকেও। আগামীতেও। কারণ এটাই আমার দেশ। ছিলো, আছে এবং থাকবে।

 

চেয়ে আছে পৃথিবী
জেগে আছে কোটি চোখ
থমকে আছে চারপাশ
করতালির অপেক্ষায়

এই সময় সেই সময়
চেতনার এই ক্ষণে
আকাশ বাতাস জেনে গেছে
হুঙ্কারের অপেক্ষায়!

আর্টসেল

Menu